IQNA

18:46 - October 06, 2017
সংবাদ: 2603999
দুনিয়ার প্রতি লোভ, ক্ষমতার লোভ এবং অর্থের বড়াই মানুষকে তার ইমামের বিরুদ্ধে দাড় করায়, এমনকি তারা ইমামের গলায় ছুরি চালাতেও দ্বিধা করে না। আর এক্ষেত্রে কোন ব্যতিক্রম নেই। অর্থাৎ যারাই দুনিয়ালোভী হবে তারাই ইমামের বিরুদ্ধে চলে যাবে।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: যারা কারবালায় ইমাম হুসাইনের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিল তাদের অনেকেই তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ত, কিন্তু পক্ষান্তরে সুদ খেত এবং হারাম খাবার খেয়ে উদর পূর্ণ করেছিল। তারা এমনকি ইমামকে কুফায় আসার জন্য চিঠিও লিখেছিল কিন্তু ইমাম যখন আসলেন তখন তারাই ইমামকে হত্যা করে।

সানান বিন আনাস নামে এক লোক সোনা এবং রুপার লোভে ইমাম হুসাইনকে হত্যা করে। সানান বলে, ইমাম হুসাইনকে শেষ আঘাতটি আমিই করেছিলাম। এই বলে সে ওমরে সাদের কাছে প্রচুর পরিমাণে সোনা ও রুপা দাবি করে বলে: আমি সত্যপন্থিদের নেতা ইমাম হুসাইনকে হত্যা করেছি, সুতরাং আমাকে প্রচুর পরিমাণে ধন-দৌলত দিতে হবে।

সানান ইমাম হুসাইনের মর্যাদা সম্পর্কে অবগত ছিল এবং ইমাম হুসাইনকে ভালভাবেই চিনত। কিন্তু দুনিয়ার লালসায় সে ইমামকে হত্যা করে।

যারা অবাধে গোনাহ করে, ইসলামী বিধিবাধনকে উপেক্ষা করে, যাদের অন্তর কঠিন তারাই ইমামের বিরুদ্ধে চলে যায়। আর কারবালার ময়দানে তথা ইয়াজিদের দলে এমন লোকের সংখ্যা খুবই বেশী ছিল। শাবিস্তান
নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য: